Summary
মানুষ যেখানেই থাকুক, তার চারপাশে একটি পরিবেশ বিরাজমান। পরিবেশ হলো প্রকৃতির সকল উপাদানের সমাহার, যেমন নদী, সাগর, পাহাড়, বন, ঘর, রাস্তাঘাট, উদ্ভিদ, প্রাণী, পানি, মাটি ও বায়ু। এটি জীবের চারপাশের সব ধরনের জীব ও জড় উপাদানের সমষ্টি এবং তাদের ক্রিয়াকলাপের প্রভাব।
পরিবেশ বিজ্ঞানী আর্মস(Arms) বলেন, এটি জীবসম্রদায়ের জৈব ও প্রাকৃতিক অবস্থাকে নির্দেশ করে। পার্ক (C. C. Park) জানান, পরিবেশ হলো সঠিক স্থান ও সময়ে মানুষকে ঘিরে থাকা সকল পরিস্থিতির যোগফল।
স্থান ও কালের পরিবর্তনের সঙ্গে পরিবেশ পরিবর্তিত হয়, যেমন মানুষের প্রথমে পরিবেশ ছিল মাটি, পানি, বায়ু, উদ্ভিদ ও প্রাণী, পরবর্তীকালে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মানুষের সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কার্যকলাপ।
মানুষ যেখানেই বাস করুক তাকে ঘিরে একটি পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিরাজমান। প্রকৃতির সকল দান মিলেমিশে তৈরি হয় পরিবেশ। নদী, নালা, সাগর, মহাসাগর, পাহাড়, পর্বত, বন, জঙ্গল, ঘর, বাড়ি, রাস্তাঘাট, উদ্ভিদ, প্রাণী, পানি, মাটি ও বায়ু নিয়ে গড়ে ওঠে পরিবেশ। কোনো জীবের চারপাশের সকল জীব ও জড় উপাদানের সর্বসমেত প্রভাব ও সংঘটিত ঘটনা হলো ঐ জীবের পরিবেশ। পরিবেশ বিজ্ঞানী আর্মসের (Arms) মতে, জীবসম্প্রদায়ের পারিপার্শ্বিক জৈব ও প্রাকৃতিক অবস্থাকে পরিবেশ বলে।
পার্ক (C. C. Park) বলেছেন, পরিবেশ বলতে স্থান ও কালের কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুতে মানুষকে ঘিরে থাকা সকল অবস্থার যোগফল বোঝায়। স্থান ও কালের পরিবর্তনের সঙ্গে পরিবেশও পরিবর্তিত হয়। যেমন- শুরুতে মাটি, পানি, বায়ু, উদ্ভিদ ও প্রাণী নিয়ে ছিল মানুষের পরিবেশ। পরবর্তীকালে এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মানুষের সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কার্যাবলি। ফলে সৃষ্টি হয়েছে এক নতুন ধরনের পরিবেশ।
Read more